1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভাণ্ডারিয়ায় পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া চোরের” অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ “পিরোজপুর ছাত্রদলের।  পিরোজপুরে সরকারি কর্মকর্তা ও সন্তানদের সমন্বয়ে ২৯ তম বার্ষিক ক্রিড়া অনুষ্ঠিত! ভান্ডারিয়া উপকূলীয় বাঁধ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর! নলছিটিতে সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ও মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নলছিটিতে ভ্রাম্যমান আদালতে দুই জেলেকে অর্থদন্ড। নলছিটিতে গাঁজাসহ যুবক আটক। জমকালো আয়োজনে সাংবাদিক মাসুদ রানা’র “জম্মদিন পালন!! খন্দকার মাহবুবের সম্মানে” সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অর্ধদিবস বন্ধ! পিরোজপুরে “খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিকথা!

ব্যবসায়ীকে অপহরণ মামলায় সাত “ডিবি পুলিশের কারাদণ্ড।

এইচ এম জুয়েল
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৭৪ বার পঠিত

টেকনাফের ব্যবসায়ীকে অপহরণ মামলায় সাত ডিবি পুলিশের কারাদণ্ড।

তৃণমূল প্রতিনিধিঃ  কক্সবাজারের টেকনাফে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের বহিষ্কৃত সাত সদস্যকে ৭ বছর ও ৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুই ধারায় এক লাখ ও দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাঈল এই রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা ও আলাউদ্দিন এবং দুই কনস্টেবল আল আমিন ও মোস্তফা আজম

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পিপি ফরিদুল আলম বলেন, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ রায় হলো। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

ব্যবসায়ী আবদুল গফুরের ভাই টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান বলেন, উক্ত আসামীরা সাবেক ওসি প্রদীপ কুমারের অনুসারী

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর কক্সবাজার শহরের সদর থানার পেছনের রোড থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা টেকনাফের ব্যবসায়ী আবদুল গফুরকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। এরপর ‘ক্রসফায়ারে’ মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার স্বজনদের কাছে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। দেনদরবারের পর ১৭ লাখ টাকা দিতে রাজি হয় আব্দুল গফুরের পরিবার। টাকা পৌঁছে দেওয়া হলে পরের দিন ভোররাতে আবদুল গফুরকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুরে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি গফুরের স্বজনরা সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা চৌকির কর্মকর্তাকে জানান। রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সেনাবাহিনীর এই নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন করা হয়েছিল। মুক্তিপণ আদায়কারী ডিবি পুলিশের সদস্যরা মাইক্রোবাসে মেরিন ড্রাইভ সড়কে পৌঁছালে চৌকির সেনাসদস্যরা মাইক্রোবাস তল্লাশি করে ১৭ লাখ টাকা পান। এ সময় ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাকি ছয়জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেন সেনাসদস্যরা‌।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আবদুল গফুর বাদী হয়ে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা ও আলাউদ্দিন এবং দুই কনস্টেবল আল আমিন ও মোস্তফা আজমকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার প্রায় ১০ মাস পর ২০১৮ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডিবির সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর ডিবির সাত সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটি ডিবির সাত পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সুপারিশ করে। ওই মামলার কার্যক্রমটি এখনো চলমান রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD