1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গণঅধিকার পরিষদ’ নামে ড.রেজা কিবরিয়া ও ভিপি নুরের নতুন দল পিরোজপুরে রক্তদাতা সংগঠন এসআরপি’র সাথে জেলা প্রশাসকের মত বিনিমিয় সভা  পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তিক টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের “অগ্রগতি পর্যায়” ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঔপনিবেশিক আমলের “ফৌজদারি কার্যবিধি” আধুনিকায়ন হচ্ছে! “পল্লীবন্ধু” উপজেলা সৃষ্টি না করলে অনেকেই নেতা হতে পারতে না” পিরোজপুরে পুলিশের পৃষ্ঠপোষকতায় দাবা লীগের বিজয়ী পুরস্কার বিতরণ  বরগুনায় পশুর মত দাঁড় করিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে “মানবদেহে টিকা প্রদান” সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে “স্থায়ী হলেন ৯ বিচারপতি” পাথরঘাটায় পূজা মন্ডপে  আর্থিক সহায়তা করেন “সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার” ভাণ্ডারিয়ায় পূজা পরিদর্শন করেন পিরোজপুরের”জেলা প্রশাসক”

শতবর্ষে ফিরে দেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এইচ এম জুয়েল
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ২৫৬ বার পঠিত

শতবর্ষে ফিরে দেখা “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়”

এইচ এম জুয়েল:- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে ঢাবি) ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে স্বীকৃতি পায়।             ছবিতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অন্যতম প্রধান প্রস্তাব কারি নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীব  বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৩টি অনুষদ, ৮৩টি বিভাগ, ১২টি ইনস্টিটিউট, ৫৬টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ২০টি আবাসিক হল ও ৩টি ছাত্রাবাস, এবং ৭টি স্নাতক পর্যায়ের অধিভুক্ত সরকারি কলেজসহ মোট ১০৫টি অধিভুক্ত কলেজ রয়েছে। অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভিন্ন অবকাঠামো ও কর্মকাণ্ড রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার।        শুরু লগ্ন থেকে এযাবত বিশ্ববিদ্যালয় চার বার লোগো পরিবর্তন করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করেছেন, তন্মধ্যে খ্যাতিমান শিক্ষার্থী মধ্য থেকে ১৩ জন রাষ্ট্রপতি, ৭ জন প্রধানমন্ত্রী এবং একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এখানে পড়াশোনা করেছেন।                                         বাংলাদেশ স্বাধীন করতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিশেষ অবদান ছিল অপরিহার্য।              এটি বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এশিয়া উইকের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় জায়গা করে নেয়।

১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা আসেন এবং কার্জন হলে ১০ই ফেব্রুয়ারি থাকেন তিনি মুসলিম হলে এক আলোচনায় অংশ নেন।                  ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম প্রশাসনিক অবকাঠামো কার্জন হল দাঁড়িয়ে আছে।

প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ
৪,৪১৭
শিক্ষার্থী
৪৬,১৫০ (২০১৮-২০১৯)
আয়তন
নগর, ২৪০ হেক্টর (৬০০ একর)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরানো বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ যাবৎ ২৮জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন।                 এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রশাসনিক দক্ষতার কথা বিবেচনায় নিয়ে উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়                                      স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগকে।                 স্যার চার হাজার টাকা বেতন ও বাসভবন-সুবিধা নিয়ে ১৯২০ সালের ১ ডিসেম্বর তিনি যোগ দেন কলকাতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প অফিসে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী লেডি ম্যাবেল হেলেন হার্টগ ও দুই শিশুপুত্র। ১৯২১ সালের ৭ জানুয়ারি ঢাকার বলধার বাগানবাড়ি প্রাঙ্গণে হার্টগ দম্পতিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় ও মুসলমান উপাচার্য স্যার এ এফ রাহমান। তারপর উপাচার্য হন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অধ্যাপক রমেশচন্দ্র মজুমদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।                                                                                উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি   বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সভায় নেতৃবৃন্দ         লেডি নেতৃবৃন্দপ্রশাসনিক ভবনের সামনে কর্মকর্তারা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিকথা

১৯১২ সালের নাথান কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯২১ সালের ১লা জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সরকারের কোন আকষ্মিক সিদ্ধান্ত ছিল না। ১৯০৫ সালে বঙ্গ-ভঙ্গ কার্যকর করার পিছনে প্রশাসনিক, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ বিদ্যমান ছিল। বঙ্গ-ভঙ্গ আপাতভাবে পূর্ববাংলার পিছিয়ে পড়া মুসলমানের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিপূরক হওয়ায় পূর্ববাংলায় সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান সমাজ বঙ্গ-ভঙ্গের মাঝে নিজেদের অগ্রগতির স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু তখনকার বঙ্গ-ভঙ্গ বিরোধী শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রবলচাপে বঙ্গ-ভঙ্গ রদ হওয়ায় পূব বাংলার মুসলিম মানস আহত হয় ও ভীষণ মনক্ষুন্ন হয়ে পড়ে। ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ সরকারের বাংলা বিভাজনের সিদ্ধান্তকে পূর্ববাংলার মুসলমান সমাজের মাঝে অসন্তোষের নামান্তর বলে দ্রুত উপলব্ধি করতে সক্ষম হন এবং ক্ষোভ প্রশমনের জন্য ঢাকা সফরে আসেন।

১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি মুসলিম স¤প্রদায়ের পক্ষ থেকে নওয়াব স্যার সলমিুল্লাহ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী এবং এ কে ফজলুল হক তার সাথে দেখা করে বঙ্গ-ভঙ্গ রহিত করায় শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে বলে মত পোষণ করেন এবং ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার জোর দাবি জানান। ভাইসরয় ১৯১২ সালের ২ ফেব্র“য়ারি এক সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে এ দাবির স্বীকৃতি দেন। কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষকসহ মহল বিশেষ এ সরকারি ঘোষণার বরিোধতিা করে। তা সত্বেও ভাইসরয় ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনড় থাকেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ১৯১২ সালের ৪ এপ্রিল তারিখে ভাইসরয় এক পত্রের মাধ্যমে বাংলা সরকারকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বিষয়ে বিশদ পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেন। অতঃপর ১৯১২ সালের ২৭ মে লন্ডনের ব্যারিস্টার রবার্ট নাথান-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি লাগসই পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য এ কমিটি আরও ২৫টি বিশেষ সাব কমিটির মতামত গ্রহণ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে ঢাকায় একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয় এবং অবকাঠামোগত নকশাসহ ৫৩ লাখ টাকার একটি প্রাক্কালন ব্যয় এবং ১২ লাখ টাকার বাৎসরিক ব্যয়ের একটি পুর্নাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করা হয়। সুপারিশে বলা হয়, এটি হবে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেষ্টার, লিডস, লিভারপুল প্রভৃতির ন্যায় একক শিক্ষাদানকারী ও আবাসিক ধরনের। বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি অধুনালুপ্ত পূর্ববাংলা ও আসাম সরকারের পরিত্যক্ত এবং ইতোপূর্বে রমনা এলাকার অধিগ্রহণ করা ২৪৩ একর জমি ও সিভিল স্টেশনের জন্য নির্মিত স্থাপনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ব্যবহারের সুপারিশ করে কমিটি রিপোর্টে আরও বলা হয় যে’ কেবলমাত্র ঢাকা শহরের কলেজগুলো এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবে। ১৯১৩ সালে নাথান কমিটির রিপোর্টটি প্রকাশিত হলে এটি জনমত যাচাইয়ের পর ঐ বৎসরই ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। কিন্তু এ সময়ে প্রথম মহাযুদ্ধ শুরু হলে প্রস্তাবিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অর্থ সংস্থান কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে এটি একটি বিলম্ব প্রয়াসে পরিণত হয়। ১৯১৭ সালের বিধান সভায় বাজেট বক্তৃতায় এ কালক্ষেপনের বিষয়টি নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী কর্তৃক উত্থাপিত হলে সরকার পুনরায় সক্রিয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯১৭ সালের ৬ জানুয়ারি বড়লাট লর্ড চেমর্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য লিড্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. এম. ই. স্যাডলার-এর নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করেন, যা ‘কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন’ বা ‘স্যাডলার কমিশন’ নামে পরিচিত। এ কমিশন ১৯১৯ সালে রিপোর্ট পেশ করে। এ রিপোর্টে কমিশন ইতোপূর্বেকার নাথান কমিটির রিপোর্টকে সমর্থন করে এবং ঢাকায় একটি আবাসিক হলকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।
এ কমিটি আবাসিক হলগুলোর কাঠামোগত রূপরেখাও নির্দেশ করে। প্রত্যেক হলে একজন প্রভোস্টের অধীনে অন্তত ৪০০ ছাত্র এবং প্রতিটি হলে ৪টি বা ততোধিক হাউজে বিভক্ত করার কথা বলা হয়। যার প্রত্যেকটির দায়িত্বে থাকবেন একজন হাউস টিউটর। অতঃপর ১৯২০ সালে ভারতীয় আইন সভায় ‘দি ঢাকা ইউনিভার্সিটি এ্যাক্ট’ পাশ হলে এ আইন বলেই ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময়কার রমনা এলাকায় ৬০০ একর জমি এবং তাতে অবস্থিত তৎকালীন পরিত্যক্ত সচিবালয় (বর্তমান মেডিকেল কলেজ), ঢাকা কলেজের ভবনসমূহ (বর্তমান কার্জন হল ও পাশ্ববর্তী ভবন), গভর্নমেন্ট হাউস (পুরানো হাইকোর্ট ভবন ও প্রায় ১০০ মনোরম বাংলো নিয়ে গড়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। উক্ত এ্যাক্টে অনুসারে একটি এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল, একাডেমিক কাউন্সিল এবং ফ্যাকাল্টি সমূহ সর্বময় কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলার গর্ভনর পদাধিকার হলে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর এবং কোর্টের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হন। কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে চ্যান্সেলর কর্তৃক উপাচার্য নিয়োগের বিধান রাখা হয়। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী পরিষদ হিসেবে গণ্য হয়। এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল ও একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনে ইংরেজিতে ‘ঞৎঁঃয  ঝযধষষ চৎবাধরষ’ শ্লোগান সম্বলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে একাধিকবার এ মনোগ্রাম পরিবর্তিত হয়ে ‘শিক্ষাই আলো’ শ্লোগান সম্বলিত মনোগ্রাম বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে। এ সময়ে পূর্ববঙ্গের কলেজসমূহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসে। কোর্ট, এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল, একাডেমিক কাউন্সিল পুনগঠন করা হয়। ১৯৬১ সালে সামরিক শাসন আমলে ১৯২১ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাক্টের পরিবর্তন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৬১ প্রবর্তন করা হয়। এ অধ্যাদেশটি ‘কালাকানুন’ হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশটি বাতিল করে। ১৯৭৩ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়। বর্তমানে এই অধ্যাদেশ বলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে।
১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম চ্যান্সেলর ছিলেন বাংলার গভর্নর ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম
১। প্রথম উপাচার্য : পি. জে. হার্টগ

২। প্রথম রেজিস্ট্রার: খান বাহাদুর নাজিরুদ্দীন আহমেদ

৩। প্রথম ট্রেজারার: জে এইচ লিনডসে

৪। কলা অনুষদের প্রথম ডিন-ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার

৫। বিজ্ঞান অনুষদের প্রথম ডিন-ডব্লিউ এ জেনকিনস

৬। আইন অনুষদের প্রথম ডিন-প্রফেসর নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত

৭। ঢাকা হলের প্রথম প্রভোস্ট-এফ সি টার্নার

৮। মুসলিম হলের প্রথম প্রভোস্ট-এ এফ রহমান

৯। জগন্নাথ হলের প্রথম প্রভোস্ট- নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত

১০। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম শহিদ- অর্জিত ভট্টাচার্য

১১। পাকিস্তান আমলে প্রথম শহিদ- ভাষা শহিদ আবুল বরকত

১২। প্রথম ছাত্রী-লীলাবতী নাগ

১৩। প্রথম মহিলা শিক্ষক-করুনা কণা গুপ্তা

১৪। প্রথম বাঙালি উপাচার্য-এ. এফ. রহমান

১৫। প্রথম ছাত্রী নিবাস- চামেরী হাউস

১৬। প্রথম কমিটি-নাথান কমিটি

১৭। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আচার্য- এ. জি. আর. বি. লিটন

১৮। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন-১৯২৩

১৯। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রো-ভিসি-ড.মফিজুল্লাহ কবির

২০। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গণহত্যা-২৫ মার্চ ১৯৭১

২১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা ¯œাতক-ফজিলাতুন্নেছা

২২। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের প্রথম বার্ষিক সভা-১৯২১ সালের ১৭ আগস্ট

২৩। প্রথম কনভোকেশন গেস্ট-এস. এম. সোলায়মান

২৪। একাডেমিক কাউন্সিলের প্রথম সভা-১৯২১ সালের সেপ্টেম্বর

২৫। প্রথম “ডক্টর অব ল”- স্যার পি. জে. হার্টগ

২৬। প্রথম এমিরিটাস প্রফেসর-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

২৭। রবীন্দ্রনাথের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আগমন- ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারি

২৮। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সাহিত্যপত্র- বাসন্তিকা

২৯। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম উপাচার্য-ড. মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী

৩০। স্বাধীনতার পর ডাকসুর প্রথম সভাপতি- ড. মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী।

উপাচার্যদের তালিকা সম্পাদনা


Pjhartog.JPG
স্যার পি. জে. হার্টগ ১ ডিসেম্বর ১৯২০/ ৩১ ডিসেম্বর ১৯২৫

Ghlangley.jpg
অধ্যাপক জর্জ হ্যারি ল্যাংলি ১ জানুয়ারি ১৯২৬/ ৩০ জুন ১৯৩৪

Afrahman.jpg
স্যার এ. এফ. রাহমান ১ জুলাই ১৯৩৪ /৩১ ডিসেম্বর ১৯৩৬

R C Majumdar.jpg
অধ্যাপক রমেশচন্দ্র মজুমদার ১ জানুয়ারি ১৯৩৭ ৩০ জুন ১৯৪২
৫ অধ্যাপক মাহমুদ হাসান ১ জুলাই ১৯৪২/ ২১ অক্টোবর ১৯৪৮
৬ অধ্যাপক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হুসাইন ২২ অক্টোবর ১৯৪৮ ৮ নভেম্বর ১৯৫৩
৭ অধ্যাপক ডাব্লিউ. এ. জেনকিন্স ৯ নভেম্বর ১৯৫৩ ৮ নভেম্বর ১৯৫৬
৮ বিচারপতি মোহাম্মদ ইবরাহিম ৯ নভেম্বর ১৯৫৬ ২৭ অক্টোবর ১৯৫৮
৯ বিচারপতি হামুদুর রহমান ৫ নভেম্বর ১৯৫৮ /১৪ ডিসেম্বর ১৯৬০
১০ অধ্যাপক মাহমুদ হুসেইন ১৫ ডিসেম্বর ১৯৬০ ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩
১১ অধ্যাপক ওসমান গণি ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩ /১ ডিসেম্বর ১৯৬৯
১২ বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ২ ডিসেম্বর ১৯৬৯ ২০ জানুয়ারি ১৯৭২
১৩ অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী ২১ জানুয়ারি ১৯৭২ ১২ এপ্রিল ১৯৭৩
১৪ আব্দুল মতিন চৌধুরী ১৩ এপ্রিল ১৯৭৩ /২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫
১৫ অধ্যাপক এম. শামসুল হক ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬
১৬ অধ্যাপক ফজলুল হালিম চৌধুরী ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ ২০ মার্চ ১৯৮৩
১৭ এ কে এম সিদ্দিক ২১ মার্চ ১৯৮৩ /১৬ আগস্ট ১৯৮৩
১৮ অধ্যাপক এম. শামসুল হক ১৭ আগস্ট ১৯৮৩ ১২ জানুয়ারি ১৯৮৬
১৯ অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ১২ জানুয়ারি ১৯৮৬ ২২ মার্চ ১৯৯০
২০ অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা ২৪ মার্চ ১৯৯০/ ৩১ অক্টোবর ১৯৯২
২১ অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ ১ নভেম্বর ১৯৯২ /৩১ আগস্ট ১৯৯৬
২২ অধ্যাপক শহিদ উদ্দিন আহমেদ (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) ৩১ আগস্ট ১৯৯৬ ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬
২৩ অধ্যাপক এ. কে. আজাদ চৌধুরী ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬/ ১১ নভেম্বর ২০০১
২৪ অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী ১২ নভেম্বর ২০০১ /৩১ জুলাই ২০০২
২৫
A F M Yousuf Haider, professor of physics .jpg
অধ্যাপক এ. এফ. এম. ইউসুফ হায়দার (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) ১ আগস্ট ২০০২ ৯ সেপ্টেম্বর ২০০২
২৬ অধ্যাপক এস. এম. এ. ফায়েজ ৯ সেপ্টেম্বর ২০০২ ১৫ জানুয়ারি ২০০৯
২৭
AAMS Arefin Siddique.jpg
অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD