1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গণঅধিকার পরিষদ’ নামে ড.রেজা কিবরিয়া ও ভিপি নুরের নতুন দল পিরোজপুরে রক্তদাতা সংগঠন এসআরপি’র সাথে জেলা প্রশাসকের মত বিনিমিয় সভা  পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তিক টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের “অগ্রগতি পর্যায়” ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঔপনিবেশিক আমলের “ফৌজদারি কার্যবিধি” আধুনিকায়ন হচ্ছে! “পল্লীবন্ধু” উপজেলা সৃষ্টি না করলে অনেকেই নেতা হতে পারতে না” পিরোজপুরে পুলিশের পৃষ্ঠপোষকতায় দাবা লীগের বিজয়ী পুরস্কার বিতরণ  বরগুনায় পশুর মত দাঁড় করিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে “মানবদেহে টিকা প্রদান” সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে “স্থায়ী হলেন ৯ বিচারপতি” পাথরঘাটায় পূজা মন্ডপে  আর্থিক সহায়তা করেন “সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার” ভাণ্ডারিয়ায় পূজা পরিদর্শন করেন পিরোজপুরের”জেলা প্রশাসক”

ইউনিয়ন পরিষদ সৃষ্টির ইতিহাস

এইচ এম জুয়েল
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১
  • ২৭০ বার পঠিত

উনিয়ন পরিষদ সৃষ্টির ইতিহাস

প্রাচীন ও মধ্য যুগে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রথা ছিল

 এইচ এম জুয়েল :- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম গ্রামীণ প্রশাসনিক একক ভাষা ( PDF ) ইউনিয়ন পরিষদ হল বাংলাদেশে পল্লী অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। গ্রাম চৌকিদারি আইনের ১৮৭০ এর অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের সৃষ্টি হয়। এ আইনের অধীনে প্রতিটি গ্রামে পাহারা টহল ব্যবস্থা চালু করার উদ্দেশ্যে কতগুলো গ্রাম নিয়ে একটি করে ইউনিয়ন গঠিত হয়।

ব্রিটিশ শাসনামলে অর্থনৈতিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ও ব্রিটিশদের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার জন্য।   লর্ড মেয়ো ১৮৭০ সালে চৌকিদারী আইন পাশ করেন।

ইউনিয়ন গঠনের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা লিপিবদ্ধ রয়েছে বেঙ্গল চৌকিদারী ম্যানুয়েলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অনুচ্ছেদে। এই প্রক্রিয়ার বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি স্থানীয় সরকার ইউনিটের ধারণার সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলে ও পরবর্তী কালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ইউনিটের ভিত্তিরুপে গড়ে উঠে।[১] বাংলাদেশে বর্তমানে ৪৫৭১টি ইউনিয়ন আছে।[২] একটি ইউনিয়ন পরিষদ পটভূমি সম্পাদনা বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি দীর্ঘ ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। অতি প্রাচীন কাল থেকে উপমহাদেশে স্থানীয় সরকারের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়। সাধারণত স্থানীয় সরকার বলতে এমন জনসংগঠনকে বুঝায় যা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক সীমা রেখায় একটি দেশের অঞ্চল ভিত্তিতে জাতীয় সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করে। স্থানীয় কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমম্বয়ে গঠিত সংস্থাকে স্থানীয় সরকার বলা হয়। জাতীয় সরকারের মত স্থানীয় সরকার সার্বভৌম কোন প্রতিষ্ঠান নয়। জাতীয় সরকার বিভিন্ন সার্কুলার ও নির্দেশের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। স্থানীয় সরকার নিদিষ্ট এলাকায় কর, রেট, ফিস, টোল প্রভৃতি নির্ধারণ ও আদায়ের ব্যাপারে জাতীয় সরকারের নির্দেশ অনুসরন করে থাকেন।

 দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৭১ টি 

চেয়ারম্যান (৪৫৭১ জন)

মেম্বার সদস্য (৪১১৩৯ জন )

সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১৩৭১৩ = মোট ৫৯৪২৩ জন 

বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৭১৯১ হাজার গ্রাম আছে 

 ব্রিটিশ আমলের পূর্বে প্রাচীন ও মধ্য যুগীয় আমলে খ্রীষ্ট পূর্ব ১৫০০-১০০০ অব্দে গ্রাম পরিষদের উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া খ্রীষ্ট পূর্ব ৩২৪-১৮৩ অব্দে মৌর্য বা মৌর্য পূর্ব যুগে গ্রাম প্রশাসনের অস্তিত্বের স্বাক্ষর পাওয়া যায়। ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে তৎকালীন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে অধিকাংশ গ্রামে পঞ্চায়েত প্রথা প্রচলিত ছিল। পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫ জন। জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রথার উদ্ভব ঘটে। তাই এগুলোর আইনগত কোন ভিত্তি ছিল না। ব্রিটিশ শাসনামলে অর্থনৈতিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে ও ব্রিটিশদের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার জন্য লর্ড মেয়ো ১৮৭০ সালে চৌকিদারী আইন পাশ করেন। এর ফলে প্রথমবারের মত স্থানীয় সরকারের উদ্ভব হয় এবং পঞ্চায়েত প্রথার পুনরাবৃত্তি ঘটে। চৌকিদারী পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ছিল পাঁচ জন এবং জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট পঞ্চায়েতের সকল সদস্যকে তিন বৎসরের জন্য নিয়োগ করতেন। চৌকিদারী পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্ব শাসন আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৫-৯ জন এবং গ্রামবাসী কর্তৃক নির্বাচিত হতেন এবং ইউনিয়ন কমিটির পাশাপাশি চৌকিদারী পঞ্চায়েত কাজ করতো। এর ফলে দ্বৈত শাসনের অসুবিধা সমূহ প্রকটভাবে দেখা দেয়। অতঃপর ১৯১৯ সালে চৌকিদারী পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

নামকরণ সম্পাদনা ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ সাল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার নাম সভাপতি ১৮৭০-১৮৮৫                  চৌকিদারী, পঞ্চায়েত ১৯১৮, ইউনিয়ন  কমিটি পঞ্চায়েত ১৯১৯-১৯৩৫, ইউনিয়ন বোর্ড    প্রেসিডেন্ট ১৯৩৬-১৯৫৮, ইউনিয়ন বোর্ড প্রেসিডেন্ট ১৯৫৯-১৯৬১ ইউনিয়ন পরিষদের

ইউনিয়ন বোর্ডের সদস্য ১/৩ অংশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক মনোনয়ন দান করতেন অবশিষ্ট সদস্যগণ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হতেন। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতেন। কার্যকাল ছিল ৩ (তিন) বৎসর। তবে ১৯৩৬ সাল হতে ৪ (চার) বৎসর করা হয় এবং মনোনয়ন প্রথা ১৯৪৬ সালে রহিত করা হয়। মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ,১৯৫৯ এর অধীনে ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠন করা হয় এবং সদস্য সংখ্যা ছিল ১০-১৫ জন। মোট সদস্যের ২/৩ অংশ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে এবং অবশিষ্ট ১/৩ অংশ মহুকুমা প্রশাসক সরকারের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দান করতেন। ১৯৬২ সালে শাসনতন্ত্র প্রবর্তনের ফলে মনোনয়ন প্রথা রহিত করা হয়। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করতেন। পরবর্তীতে ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়।

ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেয়াদ ছিল ৫ বছর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের যে কাঠামো রয়েছে তার সূচনা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে প্রণীত কিছু কিছু আইনের মাধ্যমে। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগেশহর অঞ্চল এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। ইতিকথা সম্পাদনা বর্তমানে তিন ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে (ক) ইউনিয়ন পরিষদ, (খ) উপজেলা পরিষদ, (গ) জেলা পরিষদ। বাংলাদেশে স্বাধীনতা উত্তরকালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭,১৯৭২ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বাতিল করে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত নামকরণ করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২২, ১৯৭৩ অনুযায়ী ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যক্ষ ভোটে ৯ জন সদস্য, একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ ১৯৭৬ অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যানের পদটি বিলুপ্ত করা হয়। এছাড়া দুজন মনোনীত মহিলা সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদকে দুজন প্রতিনিধি সদস্য (কৃষকের মধ্য থেকে) পরিষদে অর্ন্তভূক্ত করা হয়। সর্বোপরি ১৯৮৩ ও ১৯৯৩ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ অনুয়ায়ী প্রত্যক্ষ ভোটে একজন চেয়ারম্যান ও ০৯ জন সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ০৩ জন মহিলা সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল- ৫ বছর।

ইউনিয়ন পরিষদ ভবন দ্বিতল ভৌত কাঠামোঃ

চেয়ারম্যান কক্ষ             ০১ টি (নীচতল)

সচিব কক্ষ                 ০১ টি (নীচতল)

সভা কক্ষ                  ০১ টি (নীচতল)

কাউন্সিলরদের কক্ষ          ০১ টি (নীচতল)

তথ্য সেবা কেন্দ্র             ০১ টি (২য় তল)

সমাজ সেবা কেন্দ্র কক্ষ        ০১ টি (নীচতল)

আনসার ভি.ডি.পি কক্ষ     ০১ টি (নীচতল)

ভি.আই.পি কক্ষ            ০১ টি (২য় তলা)

কৃষি পরামর্শ কেন্দ্র           ০১ টি (নীচ তলা)

বি.আর.ডি.পি কক্ষ         ০১ টি (২য় তলা)

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD