1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গণকমিশন ভিত্তিহীন এখন ১১৬ আলেম হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা করুক।-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। হিজলায় জেলেদের মাঝে গরু বিতরণের অনিয়ম তোপের মুখে বিতরণ স্থগিত। ভাণ্ডারিয়ায় স্কুল ছাদের পলেস্তারা খসে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী “আধুনিকা” আহত। বাংলাদেশ বন্ধু পরিষদের ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ভান্ডারিয়া হসপিটালে মৃত ডায়রিয়া রোগীর গায়ে স্যালাইন পুশ। হিজলায় ইউপি সদস্য সহ ৩ জনকে কুপিয়ে জখম। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া ২৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ট্রাকচালকের সততার বিরল দৃষ্টান্ত। ভাণ্ডারিয়ায় সাংবাদিকদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পিরোজপুরের জেলা পরিষদ প্রশাসক মহিউদ্দিন মহারাজের শ্রদ্ধা নিবেদন। পিআইআরএফ এর ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।।

 হাসপাতালে প্রেমিক যুগলের বিয়ে, কেবিনে হলো বাসর

নিজস্ব প্রতিনিধি:-
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ২৪১ বার পঠিত

                                                                                     হাসপাতালে প্রেমিক যুগলের বিয়ে                                কেবিনে হলো বাসর

নিজস্ব প্রতিনিধি :-  পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় আলমডাঙ্গা উপজেলার চরপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের অনার্স পড়ুয়া ছেলে হুসাইন আহমেদের (২৩) ডান পা ভেঙ্গে যায়। ভাঙ্গা পা নিয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার ফাতেমা ক্লিনিকের ৪ নম্বর কেবিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার দেখাশোনার জন্য সেখানে তার মা-বাবা ও বোন রয়েছেন।

হুসাইন আহমেদের পা ভেঙে হাসপাতালে কষ্টে আছেন এমন খবর পেয়ে ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ছুটে আসেন প্রেমিকা তাসফিয়া সুলতানা মেঘা (১৯)। সব কিছু জানার পর হুসাইন আহমেদের স্বজনরা মেঘার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনা শুনে মেঘার বাবা মেয়েকে বাড়িতে নিতে অস্বীকার করেন। সম্ভব হলে বিয়ে দিয়ে দেবার পরামর্শ দেন তিনি। বিয়েতে রাজি হন মেঘাও। পরে গভীর রাতে হাসপাতালের কেবিনেই কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর সেখানেই তারা রাত্রিযাপন করেন।

হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক রহমান মুকুল বলেন, বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে নব দম্পতিকে দেখার জন্য ভিড় জমে।

হুসাইন আহমেদের বাবা আব্দুস সোবহান বলেন, মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আমাদের পূর্ব থেকেই পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটি ক্লিনিকে চলে এসেছে। এরপর আমি মেয়ের পিতার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলি। মেয়ের বাবা এভাবে বিয়ে দিতে রাজি না। কিন্তু মেয়েটি বিয়ে না করে এখান থেকে যাবে না এরকম জেদ ধরার পর মধ্যরাতে কাজি ডেকে বিয়ে দেয়া হয়।

ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মুনজুর আলী বলেন, ছেলের বাবা আব্দুস সোবহান আমার বাল্য বন্ধু। বন্ধুর ইচ্ছাতে তার ছেলের বিয়ে আমার ক্লিনিকে হয়েছে। ক্লিনিকে এরকম একটা বিয়ে হয়েছে এ জন্য আমারও ভালো লাগছে।

 

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD