1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গণঅধিকার পরিষদ’ নামে ড.রেজা কিবরিয়া ও ভিপি নুরের নতুন দল পিরোজপুরে রক্তদাতা সংগঠন এসআরপি’র সাথে জেলা প্রশাসকের মত বিনিমিয় সভা  পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তিক টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের “অগ্রগতি পর্যায়” ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঔপনিবেশিক আমলের “ফৌজদারি কার্যবিধি” আধুনিকায়ন হচ্ছে! “পল্লীবন্ধু” উপজেলা সৃষ্টি না করলে অনেকেই নেতা হতে পারতে না” পিরোজপুরে পুলিশের পৃষ্ঠপোষকতায় দাবা লীগের বিজয়ী পুরস্কার বিতরণ  বরগুনায় পশুর মত দাঁড় করিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে “মানবদেহে টিকা প্রদান” সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে “স্থায়ী হলেন ৯ বিচারপতি” পাথরঘাটায় পূজা মন্ডপে  আর্থিক সহায়তা করেন “সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার” ভাণ্ডারিয়ায় পূজা পরিদর্শন করেন পিরোজপুরের”জেলা প্রশাসক”

 হাসপাতালে প্রেমিক যুগলের বিয়ে, কেবিনে হলো বাসর

নিজস্ব প্রতিনিধি:-
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ১৪২ বার পঠিত

                                                                                     হাসপাতালে প্রেমিক যুগলের বিয়ে                                কেবিনে হলো বাসর

নিজস্ব প্রতিনিধি :-  পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় আলমডাঙ্গা উপজেলার চরপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের অনার্স পড়ুয়া ছেলে হুসাইন আহমেদের (২৩) ডান পা ভেঙ্গে যায়। ভাঙ্গা পা নিয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার ফাতেমা ক্লিনিকের ৪ নম্বর কেবিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার দেখাশোনার জন্য সেখানে তার মা-বাবা ও বোন রয়েছেন।

হুসাইন আহমেদের পা ভেঙে হাসপাতালে কষ্টে আছেন এমন খবর পেয়ে ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ছুটে আসেন প্রেমিকা তাসফিয়া সুলতানা মেঘা (১৯)। সব কিছু জানার পর হুসাইন আহমেদের স্বজনরা মেঘার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনা শুনে মেঘার বাবা মেয়েকে বাড়িতে নিতে অস্বীকার করেন। সম্ভব হলে বিয়ে দিয়ে দেবার পরামর্শ দেন তিনি। বিয়েতে রাজি হন মেঘাও। পরে গভীর রাতে হাসপাতালের কেবিনেই কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর সেখানেই তারা রাত্রিযাপন করেন।

হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক রহমান মুকুল বলেন, বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে নব দম্পতিকে দেখার জন্য ভিড় জমে।

হুসাইন আহমেদের বাবা আব্দুস সোবহান বলেন, মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আমাদের পূর্ব থেকেই পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটি ক্লিনিকে চলে এসেছে। এরপর আমি মেয়ের পিতার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলি। মেয়ের বাবা এভাবে বিয়ে দিতে রাজি না। কিন্তু মেয়েটি বিয়ে না করে এখান থেকে যাবে না এরকম জেদ ধরার পর মধ্যরাতে কাজি ডেকে বিয়ে দেয়া হয়।

ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মুনজুর আলী বলেন, ছেলের বাবা আব্দুস সোবহান আমার বাল্য বন্ধু। বন্ধুর ইচ্ছাতে তার ছেলের বিয়ে আমার ক্লিনিকে হয়েছে। ক্লিনিকে এরকম একটা বিয়ে হয়েছে এ জন্য আমারও ভালো লাগছে।

 

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD