1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হিজলায় বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। হিজলায় বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিস স্থানান্তর না করার দাবীতে মানববন্ধন। দেশে ৭৯ শতাংশ পথশিশু যৌন নিপীড়নের শিকার “আজ পথশিশু দিবস। লন্ডনের ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। দূর্গাপুজা উপলক্ষে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসিত কাউখালীর “ভাইস চেয়ারম্যান। পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শারদ উপহার বিতরণ করেন -মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। হিজলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের নিয়ে জরুরী সভা। সন্ত্রাসীদের কোপে মঠবাড়িয়ার “জাপা নেতার পা বিচ্ছিন্ন। সাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া জেলে পরিবারকে অনুদানের চেক দিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। পিরোজপুরে সাংবাদিকদের সাথে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের মতবিনিময়।

করোনায় মারা গেলেন নায়িকা কবরী।

এইচ এম জুয়েল
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৯৯ বার পঠিত

করোনায় মারা গেলেন  সাবেক সংসদ সদস্য বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী মিষ্টি মেয়ে কবরী ।

অবস্থার অবনতি হওয়ায় বৃহস্পতিবারই নেওয়া হয়েছিল লাইফ সাপোর্টে। সেখান থেকে আর ফেরা হয়নি ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাত এক সময়কার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা সারাহ বেগম কবরীর।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) রাত ১২টা ২০মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় তিনি চলে গেলেন। কবরীর ছেলে শাকের চিশতী খবরটি নিশ্চিত গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

গত ৫ এপ্রিল কবরীর ক‌রোনা রি‌পোর্ট পজিটিভ এলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দরকার হয় আইসিইউর। কুর্মিটোলা হাসপাতালে আইসিইউ খালি না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় গত ৮ এপ্রিল তাকে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আইসিইউতে প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দেশের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরুর ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘ঢেউয়ের পর ঢেউ’, ‘পরিচয়’, ‘দেবদাস’, ‘অধিকার’, ‘বেঈমান’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘সোনালী আকাশ’, ‘দীপ নেভে নাই’-এর ম‌তো দর্শক‌প্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কবরী।

২০০৬ সালে তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আয়না’ মুক্তি পায়। ‘এই তুমি সেই তুমি’ না‌মে দ্বিতীয় চল‌চ্চিত্র নির্মাণ কর‌ছেন কবরী।

এরপর রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যুক্ত হয়েছেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭-তে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’।

কবরীর পাঁচ ছেলের কে কোথায়?

কবরীর সেই পাঁচ ছেলে হলেন-অঞ্জন চৌধুরী, রিজওয়ান চৌধুরী, শাকের ওসমান চিশতি, চিশতী ও শান ওসমান।

কবরীর ব্যক্তিগত সহকারী নূর উদ্দিন জানান, অভিনেত্রীর বড় ছেলে অঞ্জন চৌধুরী অনেক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী। সেখানে তিনি চাকরি করেন। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে শুরুতে লেখাপড়া করেন অঞ্জন। তারপর এক সময় চাকরি নেন। পরে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

প্রয়াত ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাত নায়িকার দ্বিতীয় ছেলে রিজওয়ান চৌধুরীও যুক্তরাষ্ট্র থেকে লেখাপড়া করেছেন। সেখানে কিছু সময় চাকরিও করেছেন। তবে পরে সেখান থেকে চলে যান সংযুক্ত আরব আমিরাতে। বর্তমানে দেশটির দুবাইয়ে চাকরি করছেন তিনি।

কবরীর তৃতীয় ছেলে শাকের ওসমান চিশতী। তিনি সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পড়াশোনা শেষ করে তিনি সেখানেই বসবাস শুরু করেন। শাকের সেখানে চাকরি করছেন। গত কিছুদিন ধরে অসুস্থ মায়ের পাশে ছায়ার মতো ছিলেন শাকের। সর্বোচ্চ সেবা আর ভালোবাসা দিয়েও মাকে বাঁচাতে না পারার আক্ষেপ হয়তো দীর্ঘদিন পোড়াবে তাকে।

সেজো ছেলে শাকের ওসমান চিশতীর সঙ্গে কবরী
নূর উদ্দিন জানান, অভিনেত্রীর চতুর্থ ছেলে চিশতী কানাডা প্রবাসী। তিনি সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে যান। পড়াশোনা শেষ করে পরবর্তীতে সেখানেই স্থায়ী হয়ে যান।

কবরীর সবচেয়ে ছোট শান ওসমান চিশতী। বয়স প্রায় ৩০। তিনি একজন প্রতিবন্ধী।

উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা লাবণ্য প্রভা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। তারপর টেলিভিশন ও সবশেষে সিনেমায়। কবরী বিয়ে করেন চিত্ত চৌধুরীকে। সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন সফিউদ্দীন সরোয়ারকে। ২০০৮ সালে তাদেরও বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD