1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পাথরঘাটায় পূজা মন্ডপে  আর্থিক সহায়তা করেন “সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার” ভাণ্ডারিয়ায় পূজা পরিদর্শন করেন পিরোজপুরের”জেলা প্রশাসক” সুইস ব্যাংকের টাকা ফেরত পেলে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু করব ৫০০ কোটি টাকা পুলিশকে দেব “মুসা” ভাণ্ডারিয়ায় সমবায়ীদের নিয়ে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ একাত্তরের চিহ্নিত রাজাকার  আমির হোসেন পালিয়ে কবরে ফেসবুক ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকায় ৫২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সাগর মোহনায় মা ইলিশ ধরার অপরাধে ১৪জেলেকে কারাদণ্ড দেশের জেলেরা “২২দিনের বন্দী” উম্মুক্ত ভারতীয় জেলেরা! শেষ শ্রদ্ধায় “জাতীয় পার্টির মহাসচিব “বাবলু” নাসির-তামিমার “বিয়ে অবৈধ” আদালতে হাজিরের নির্দেশ

ভিনদেশী বন্ধুদের নিয়ে দেশবাসী উদযাপন করছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।

এইচ এম জুয়েল
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১
  • ৪৬ বার পঠিত

ভিনদেশী বন্ধুদের নিয়ে দেশবাসী উদযাপন করছে ৫০ বছরের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।

বিশ্বনেতাদের চোখে পঞ্চাশ বছরের বাংলাদেশওপরে বাঁ থেকে দ্বিতীয় এলিজাবেথ, পোপ ফ্রান্সিস, আন্তোনিও গুতেরেস, জো বাইডেন ও নরেন্দ্র মোদি এবং নিচে বাঁ থেকে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, জাস্টিন ট্রুডো, সোনিয়া গান্ধী, মাহিন্দা রাজাপাকসে ও শি জিনপিং
দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে নানা বঞ্চনা-নিপীড়নের শিকার হতে হয় বাঙালি জাতিকে। সেই নিপীড়ন-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে জাতি, প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত সেই বাংলাদেশকে সাড়ে তিন বছরে উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে দেন বঙ্গবন্ধু। করে যান স্বল্পোন্নত দেশ। তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে সে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আর এ সময়ই দেশবাসী উদযাপন করছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।

পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রগতিতে প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বনেতারা। কেউ বলছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক পাওয়ার হাউস। কেউ বলছেন, অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি অভাবনীয়। আর এর পেছনে প্রাজ্ঞ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সরকার। ইতোমধ্যে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পাঁচ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান সফর করেছেন। এছাড়া অনেক বিশ্বনেতা বাংলাদেশের এই শুভক্ষণে করোনার কারণে উপস্থিত হতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রগতির প্রশংসার পাশাপাশি আগামীর জন্য শুভ কামনা করেছেন তারা।

বাংলাদেশ সফরে এসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শেষদিন শুক্রবারের (২৬ মার্চ) আয়োজনে যোগ দিয়েছেন। তার আগে বাংলাদেশ সফর করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহীম মোহামেদ সলিহ, নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং।

এছাড়া রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ব্রিটেনের যুবরাজ প্রিন্স চার্লস, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (আইএনসি) সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন, জর্ডানের বাদশা আব্দুল্লাহ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইউশিহিদে সুগাসহ অন্তত দেড় ডজন বিশ্বনেতা ভিডিওবার্তায় শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন।

সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন।

আরও শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ আল ওথাইমিন, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজুলে প্রমুখ।

মূল অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে এক টুইট বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশীসুলভ ও অংশীদারিত্বের সম্পর্ক বিদ্যমান। আমরা এটিকে আরও গভীরতর করতে ও সম্পর্কে বৈচিত্র্য আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন যাত্রা সমর্থন করি।’

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী তার বার্তায় বলেন, ‘গত পাঁচ দশকে সামাজিক উন্নয়ন, জনগণের অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্জন রয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে অগ্রগতিও অভাবনীয়, যা বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

ঢাকা সফরকালে ‘বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক পাওয়ার হাউস’ মন্তব্য করে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে দুই দেশের মধ্যে মেরিটাইম, শিপিং ও বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ব্লু ইকোনমির প্রস্তাব প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে আসছে আমাদের মেরিটাইমের বিষয়ে। বাংলাদেশকে এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক পাওয়ার হাউস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশের সফর করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং বলেন, ‘বাংলাদেশ সকল স্তরে অগ্রগতি করেছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রতিবারই যখন এদেশে আসি, ব্যাপক উন্নতি চোখে পড়ে। বিশেষ করে গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে অগ্রগতি, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। করোনা মহামারি সত্ত্বেও বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই অগ্রগতিতে আমি গর্বিত। কারণ বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনীতি, ভুটান ও এ অঞ্চলের জন্য প্রেরণাদায়ক’।

ঢাকা সফরকালে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অভূতপূর্ব অগ্রগতিতে নারীর অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ রোল মডেল হতে পারে।’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ঢাকা সফর করে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহীম মোহামেদ সলিহ বলেন, ‘অসাধারণ উন্নয়নের জন্য আমি বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল ও শক্তিশালী অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।’

ভিডিওবার্তায় জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার বলেন, ‘উদ্ভাবনী উন্নয়ন নীতি ও কৌশল গ্রহণ করে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে দারিদ্র্য হ্রাসে সফল হয়েছে।’

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘গত ৫০ বছরে দেশটি অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করেছে। এই সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, দারিদ্র্য কমেছে, শিক্ষার হার বেড়েছে এবং স্বাস্থ্য সেবার প্রসার ঘটেছে। এর ফলে দেশের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ‘স্বাধীনতার পর পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের জনগণ একের পর এক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD