1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গণকমিশন ভিত্তিহীন এখন ১১৬ আলেম হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা করুক।-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। হিজলায় জেলেদের মাঝে গরু বিতরণের অনিয়ম তোপের মুখে বিতরণ স্থগিত। ভাণ্ডারিয়ায় স্কুল ছাদের পলেস্তারা খসে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী “আধুনিকা” আহত। বাংলাদেশ বন্ধু পরিষদের ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ভান্ডারিয়া হসপিটালে মৃত ডায়রিয়া রোগীর গায়ে স্যালাইন পুশ। হিজলায় ইউপি সদস্য সহ ৩ জনকে কুপিয়ে জখম। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া ২৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ট্রাকচালকের সততার বিরল দৃষ্টান্ত। ভাণ্ডারিয়ায় সাংবাদিকদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পিরোজপুরের জেলা পরিষদ প্রশাসক মহিউদ্দিন মহারাজের শ্রদ্ধা নিবেদন। পিআইআরএফ এর ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।।

২৪ বিয়ের পর সাধ মিটেছে জালাল ফকিরের

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মোঃ সোহাগ রহমান
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩১০ বার পঠিত

পেশায় রিকশাচালক জালাল ফকির, বয়স ৬০ ছুঁই ছুঁই। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া বাজার ও আশপাশে রিকশা চালিয়ে আয়-রোজগার করেন।

তার শ্রমিক জীবনের সোনালি সময় কেটেছে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে। কুড়ি বছর বয়সে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমান তিনি। প্রথম সন্তান প্রসবের সময় মারা যান স্ত্রী রেনু বেগম।

কিছুদিন পর নুরজাহান নামের আরেক নারীকে বিয়ে করেন তিনি। দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। কিছুদিন পর রোগাক্রান্ত হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীও মারা যান। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী দুই সন্তান রেখে মারা যাওয়ায় মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙে পড়েন তিনি।

একপর্যায়ে আবার বিয়ে করেন জালাল ফকির। কিছুদিন পর তৃতীয় স্ত্রী মারা না গেলেও তাদের সংসার ভেঙে যায়। এরপর আবার বিয়ে করেন তিনি। এভাবে একে একে ২৪ জন নারীকে বিয়ে করেন জালাল ফকির।

প্রত্যেক নারীর সঙ্গেই কিছুদিন সংসার করার পর তাদের দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়ে সম্পর্ক ভেঙে যায়। তার ২৪তম স্ত্রী পিয়ারা বেগমের সঙ্গে প্রায় ৪ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। রংপুরের মেয়ে পিয়ারা বেগম ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন।

পিয়ারা বেগমের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর জালাল ফকির সিদ্ধান্ত নেন তিনি আর বিয়ে করবেন না। এরপর ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরে আসেন তিনি। বর্তমানে তিনি উত্তর কাছিপাড়া গ্রামে বড় ছেলে জামাল হোসেনের সঙ্গে আছেন। তার বড় ছেলে জামাল ইটভাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

২৪ নারীকে বিয়ে করার প্রতিক্রিয়ায় জালাল ফকির যুগান্তরকে বলেন, ২৪ জনের মধ্যে রূপে-গুণে আমার প্রথম স্ত্রীই সেরা ছিল। তার মতো আর কারও সঙ্গে সংসার করে শান্তি পাইনি। এখন ছেলের সংসারে আমার খুব ভালো সময় কাটছে।

ভবিষ্যতে আর বিয়ে করার ইচ্ছা আছে কিনা- এমন প্রশ্নে জালাল ফকির বলেন,অনেক হয়েছে আর বিয়ে করব না। বিয়ের সাধ মিটে গেছে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD