1. admin@dainiktrinamoolsangbad.com : admin :
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভাণ্ডারিয়ায় পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া চোরের” অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ “পিরোজপুর ছাত্রদলের।  পিরোজপুরে সরকারি কর্মকর্তা ও সন্তানদের সমন্বয়ে ২৯ তম বার্ষিক ক্রিড়া অনুষ্ঠিত! ভান্ডারিয়া উপকূলীয় বাঁধ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর! নলছিটিতে সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ও মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নলছিটিতে ভ্রাম্যমান আদালতে দুই জেলেকে অর্থদন্ড। নলছিটিতে গাঁজাসহ যুবক আটক। জমকালো আয়োজনে সাংবাদিক মাসুদ রানা’র “জম্মদিন পালন!! খন্দকার মাহবুবের সম্মানে” সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অর্ধদিবস বন্ধ! পিরোজপুরে “খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিকথা!

স্বামীর কথায় ধর্মত্যাগ; কোরআনে হাফেজ সন্তানদের নিয়ে ফিরে গেল হিন্দু ধর্মে ।

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২২৫ বার পঠিত

স্বামীর কথায় ধর্মত্যাগ; নিরুপায় হয়ে কোরআনের হাফেজ সন্তানদের নিয়ে ফিরে গেলেন নিজ হিন্দু ধর্মে ।

মলিনা রানী (৩৮)। নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বালাহৈর গ্রামের বাবা মায়ের আদরের কন্যা। তাকে বিয়ে দেন একই উপজেলার নিমদিঘী গ্রামের মন্টুর সাথে। বিয়ের পরপরই স্বামীর কথা মতো দু’জনই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে স্বামীর নাম পরিবর্তন করে, দেলোয়ার হোসেন ও তার নাম মরিয়ম বিবি রাখা হয়। পরর্বতীতে কয়েক বছরে তাদের ঘরে দুটি ছেলে সন্তান ও একটি মেয়ে সন্তান জন্ম হয়।

কিন্তু ভবঘুরে স্বামীর নির্যাতনে সংসার হয়ে ওঠে নরক। একদিন স্ত্রী-সন্তানদের ফেলে উধাও হয়ে যান স্বামী। তখন মরিয়ম বিবিকে তিন সন্তান নিয়ে নামতে হয় জীবনযুদ্ধে। দেলোয়ারের কোন জায়গা জমি না থাকায় হতদরিদ্র মরিয়মের স্থান হয়নি স্বামীর বাড়িতে। ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে আসতে হয় বাপের বাড়ি। আত্মীয়-স্বজনের চাপে পরবর্তীতে আবারও সে ফিরে আসে হিন্দু ধর্মের দিকে।

জানা যায়, মলিনা রানীর মা বাসন্তী রানী (৬৬), ছেলে আল-আমিন (১৭), আব্দুল মমিন (১২), ফাতেমা আক্তার (৯) নিয়ে তার সংসার।প্রায় ১২ বছর আগে চলে যাওয়া ভবঘুরে স্বামী দেলোয়ার হোসেনের আজও নেই কোন খোঁজখবর।

সরেজমিনে দেখা যায়, সন্তানদের পড়ালেখা আর সংসার খরচ জোগাতে মানুষের বাড়ি বাড়ি ঝিয়ের কাজ করেন মলিনা। বড় ছেলে আল-আমিন এবার একাদশ শ্রেণিতে পড়ে, মেজো ছেলে আব্দুল মমিন মাদরাসায় পড়ে কোরআনের হাফেজ আর ছোট মেয়ে ফাতেমা স্কুলে পড়ছে। ছেলে মেয়েরা বড় হয়েছে, তাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে এখন মলিনা রানী হিমশিম খাচ্ছেন। এখন পরিবারের খরচ জোগাতে নিয়ামতপুর বাজারে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে পান, সিগারেট, বিড়ি বিক্রি করে সংসার চালান।

ছেলে আব্দুুল মমিন জানান, আমার বাবা আমাদেরকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকে আমার মা মানুষের বাড়িতে কাজ করে, খুব কষ্ট করে আমাদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। আজ বাবা থাকলে হয়তো মাকে এতো কষ্ট করতে হতো না।

মলিনা রানী জানান, খেয়ে না খেয়ে মানুষের বাড়িতে কাজ করে ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা করাচ্ছি। আমি এ পর্যন্ত কোন জায়গা থেকে সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। ছেলে মেয়েদের ভালো পোশাক ও ভাল খাবার মুখে তুলে দিতে পারি না। খুব কষ্ট করে সংসার চালাই। আমি এখন বাজারে দোকান চালাই। তাতেও সংসারে অভাব অনটন থাকায় বড় ছেলেকে করোনায় স্কুল ছুটি থাকায় কাজের উদেশ্যে ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছি।

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০ দৈনিক তৃণমূল সংবাদ
Theme Customized BY Theme Park BD